
উন্মাদ আশ্রম
গল্পটা জহির তরফদারের, সে একজন গর্বিত প্রতারক। চেহারা দেখেই পকেটের খবর জেনে ফেলে সে। চোখ দিয়েই সোনা এবং সোনালি ধোঁকার পার্থক্য ধরে ফেলতে পারে। দৃষ্টি দেখেই মানুষের বুদ্ধির পরিমাপ করতে পারে। বুদ্ধির খেলায় মানুষকে পরাজিত করাই তার নেশা। সে মনে করে, বুদ্ধি দিয়ে বোকা এবং লোভী মানুষদের লুট করাই ন্যায্যতা।
একদিন গভীর রাতে একটা ভয়াবহ বিপদ তাকে ঘরছাড়া করে। কিছুদিন লুকিয়ে থাকার জন্য সে আশ্রয় নেয় একটা পুরনো, ভাঙ্গা, পরিত্যাক্ত বাড়িতে। কিন্তু বাড়িটা নির্জন ছিলো না, এই বাড়িতে বাস করে কিছু অদ্ভুত মানুষ, ‘পাগল’ বলে সভ্য সমাজ যাদেরকে ত্যাগ করেছে।
এখানে জহিরের সাথে উদ্ভট সব ঘটনা ঘটতে থাকে। তার সঙ্গী হয় একটা কথা বলা কাক। দুজনে মিলে নামে সত্য সন্ধানে, যে সত্য জহিরকে উদ্ধার করবে আইনের দুর্বোধ্য ধাঁধা থেকে। কিন্তু সত্য যে এত অদ্ভুত এবং অপ্রত্যাশিত হবে জহির ধারণাও করতে পারেনি।








